Primary Assistant Teacher Question Solution & MCQ Question Test 2020

Primary Assistant Teacher Question Solution & MCQ Question Test 2020

Primary Assistant Teacher Question Solution & MCQ Question Test 2020. Upcoming all Jobs Exam MCQ Question Test very important General knowledge in our site at www.nuacresults.com. Written exam question You can very carefully be readding all MCQ questions here. Most of the jobs candidate find the recently common question and answer sheet. they helpfully find the all-important Upcoming all MCQ jobs Question with salutation. You can also be reading our site all jobs circular and National University recent notice available on our site. Many people continue to visit our site. So you can bookmark our site on your device.

Most of the candidates applying for more jobs circular and next plan job Written Exam very carefully attend the exam. Continue very carefully collected General knowledge from the Online and famous book and recent exam Question.

Upcoming all Jobs Exam MCQ Question you can learn about how to Written an exam better for you.Upcoming General knowledge full fill readding here below the content.

 MCQ Question Test

Upcoming All Jobs Exam MCQ jobs Question 2020

সাধারণ জ্ঞানঃ-

০১. বাংলাদেশে ৬ষ্ঠ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হবে – ২০২১ সালে
০২. বর্তমান বিশ্বের সেরা ধনী – অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজস।
০৩. বাংলাদেশে 4G চালু হয়- ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮।
০৪. “পতাকা ৭১” ভাস্কর্যটির ভাস্কর – রুপম রায় (মুন্সিগঞ্জে)
০৫. দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে কম- নারায়ণগঞ্জ জেলায়।
০৬. দেশের ২য় পারমানবিক বিদুৎ কেন্দ্র হবে- হিজলা, বরিশাল।
০৭. গ্যাস অনুসন্ধানে বাংলাদেশকে ভাগ করা হয়েছে- ২৩ ব্লকে।
০৮. ট্রারিফ কমিশন – বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন।
০৯. বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ঋন পায়- IDA থেকে।
১০. দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি- কুড়িগ্রাম জেলায়।


১১. মাহাথির মোহাম্মদের বর্তমান দলের নাম- পাকাতান হারাপান।
১২. ২০১৮ সালে নোবেল পুরষ্কার স্থগিত যে বিষয়ে – সাহিত্য।
১৩. ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং কিম জং উন এর বৈঠক হয় – ক্যাপেলা রিসোর্ট, সেন্টোসা দ্বীপ, সিঙ্গাপুর।
১৪. ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পুতিনের মাঝে বৈঠক হয়- হেলসিংকি, ফিনল্যান্ড।
১৫. কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য – ৫৩ টি (সর্বশেষ গাম্বিয়া)
১৬- মাইকেল ওন্দাৎজে যে বইটির জন্য ম্যান বুকার পুরষ্কার পান- ‘দ্য ইংলিশ পেশেন্ট “
১৭. টি টোয়েন্টি নারী বিশ্বকাপ ২০১৮ অনুষ্ঠিত হবে- ওয়েস্ট ইন্ডিজে।
১৮. সপ্তাহ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে- অস্ট্রেলিয়া (২০২০ সালে)
১৯. বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ এর “ম্যান অফ দ্যা ফাইনাল “- অ্যান্তনি গ্রিজম্যান
২০. আন্তর্জাতিক নারী টি টোয়েন্টি ক্রিকেট বাংলাদেশের পক্ষে ১ম হ্যাট্রিক করেন- ফাহিমা খাতুন।


২১. বাংলাদেশ- ভারত মৈত্রী ভবন অবস্থিত – রাজশাহীতে।
২২. পদ্মা সেতুর বর্তমান দৃশ্যমান অংশ- ৭৫০ মিটার।
২৩. পরিত্যক্ত পলিথিন থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন পদ্ধতির উদ্ভাবক- তৌহিদুল ইসলাম।
২৪. দেশকে মাদকমুক্ত ঘোষণা করা হবে- ২০৪১ সালের মধ্যে।
২৫. নারী ক্ষমতায়নে দেশের প্রথম অনলাইন ভিত্তিক জব মার্কেট প্লেস- “দ্য টু আওয়ার জব ডটকম”।
২৬. অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৮ অনুযায়ী দেশের বর্তমান মাথাপিছু আয়- ১৭৫২ মা. ডলার।
২৭. সম্প্রতি ২১ শে ফেব্রুয়ারি জাতীয়ভাবে পালনের জন্য যে দেশ বিল পাস করেছে- অস্ট্রেলিয়া।
২৮. সংবিধানের ১৭তম সংশোধনীতে সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে- ২৫ বছর।
২৯. রোহিঙ্গাদের উপর নির্মিত বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র – A pair of Sandal.
৩০. বর্তমানে দেশে তফসিলিভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা – ৫৮ টি ( রাষ্ট্রীয় ৯টি)।


৩১. দেশের ফুলের রাজধানী বলা হয়- যশোরের গদখালীকে।
৩২. বর্তমানে দেশে মোট উৎপাদনরত গ্যাসক্ষেত্র- ২৭ টি।
৩৩. বঙ্গবন্ধুর জেল জীবনের উপর রচিত বইয়ের নাম- ৩০৫৩ দিন।
৩৪. দেশে বর্তমানে নদী বন্দর- ৩৩ টি।
৩৫. বাংলাদেশ বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে e-passport যুগে যাত্রা শুরু করে- ১১৯ তম।
৩৬. মাদক বিরোধী অভিযানের নাম ছিল- চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে।
৩৭. বর্তমানে পাটের ব্যাগ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক – ১৯ টি পণ্যে।
৩৮. বর্তমানে স্বর্ণ উৎপাদনে শীর্ষ দেশ- চীন।
৩৯. ইমরান খানের রাজনৈতিক দলের নাম- তেহরিক-ই-ইনসাফ।
৪০. অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী – স্কট মরিসন।


৪১. অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালে
র নতুন মহাসচিব – কুমি নাইডো।
৪২. আফ্রিকান দেশগুলোতে বেলুনের সাহায্যে ইন্টারনেট ছড়িয়ে দেয়ার প্রকল্পের নাম- ” প্রজেক্ট লুন”।
৪৩. MNP (Mobile Number Portability) সর্বপ্রথম চালু হয় যে দেশে- সিঙ্গাপুর।
৪৪. OPEC এর বর্তমান সদস্য দেশ- ১৫ টি।
৪৫. কফি আনানের আত্মজীবনী – ” Interventions: A life in war & Peace “।
৪৬. “মিন্দানাও দ্বীপ” অবস্থিত -ফিলিপাইনে।
৪৭. বিশ্বের ১ম দল হিসেবে ১ হাজার টেস্টের মাইলফলক স্পর্শ করে -ইংল্যান্ড।
৪৮. বর্তমান কমনওয়েলথ মহাসচিব – প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড।
৪৯. বাংলাদেশের ৮ম টেস্ট ভেন্যু হতে যাচ্ছে – সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম।
৫০. “Starry Sky-2” নামক হাইপারসনিক বিমানের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে – চীন।


৫১. “Parker Solar Probe ” হচ্ছে – সূর্য অভিযানে নাসার প্রেরিত নভোযান।
৫২. ঐতিহাসিক “রোজ গার্ডেন ” অবস্থিত – টিকাটুলি, ঢাকা।
৫৩. দেশের মোট গ্যাসক্ষেত্র – ২৭ টি (উৎপাদনরত- ১৯ টি)
৫৪. “রাজাধিরাজ রাজ্জাক” প্রামাণ্যচিত্রের নির্মাতা – শাইখ সিরাজ।
৫৫. উইজডন বর্ষসেরা তরুণ ক্রিকেটার ২০১৮ – কাগিসো রাবাদা (দঃ আফ্রিকা).।
৫৬. বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর পাসপোর্ট -জাপান ও সিঙ্গাপুরের ( ১৮৯ টি দেশে বিনা ভিসায় ভ্রমন করতে পারেন)।
৫৭. নরওয়ের বিশ্ববিখ্যাত জরিপকারী জাহাজ – ফ্রিডজফ ন্যানসেন।
৫৮. পাটের ব্যাগ ব্যবহার বাধ্যতামূলক – ১৯ টি পণ্যে।
৫৯. বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর কারণে কেউ গুরুতর আহত বা নিহত হলে “সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮” অনুযায়ী সাজা – সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫ লাখ জরিমানা বা উভয় দন্ড।
৬০. আওয়ামী মুসলিম লীগ (বর্তমান আওয়ামী লীগ) গঠিত হয় যেখানে- রোজ গার্ডেন, টিকাটুলি, ঢাকা (২৩ জুন, ১৯৪৯)।


৬১. পাকিস্তানের পার্লামেন্ট ভবনের নাম – মজলিস-ই- শূরা।
৬২. পাকিস্তানের ইতিহাসে ১ম অমুসলিম সংসদ সদস্য – মহেশ কুমার মালানি (পিপলস পার্টির)।
৬৩. সম্প্রতি “মহাকাশ বাহিনী ” গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে – USA.
৬৪. বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়ন ডলারের পাবলিক কোম্পানি – “Apple Incorporated “.
৬৫. সপ্তম আইসিসি T20 বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে – অস্ট্রেলিয়ায়।
৬৬. সম্প্রতি উদ্বোধনকৃত বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং ড্রিমলাইনার উড়ো জাহাজটির নাম– আকাশবীণা।
৬৭. জাতিসংঘ মানব উন্নয়ন সূচক-২০১৮ তে বাংলাদেশের অবস্থান– ১৩৬ তম। (শীর্ষে নরওয়ে)
৬৮. আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস– ৮ সেপ্টেম্বর।
৬৯. বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মোট জনসংখ্যার — ১.১০% ভাগ।
৭০. বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ওষুধ রপ্তানি করে– মিয়ানমারে।


৭১. ন্যাটোর বর্তমান সদস্য — ২৯ টি (সর্বশেষ মন্টিনিগ্রো)
৭২. বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটারের নাম– Summit, USA এর।
৭৩. বর্তমানে বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা — ২৩১ জন।
৭৪. “তুম্রু” সীমান্তবর্তী অঞ্চলটি — বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে।
৭৫. পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ যথাক্রমে — ৬.১৫ কি.মি. এবং ১৮.১০ মি.।
৭৬. মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা তাদের নাগরিকত্ব হারায় — ১৯৮২ সালে।
৭৭. ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট জাতীয় বাজেট– ৪,৬৪,৫৭৩ কোটি টাকা।
৭৮. ফলকেটিং ( Folketing) কোন দেশের আইনসভা– ডেনমার্ক।
৭৯. ২০১৮ সালের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য — “প্লাস্টিক দূষণকে পরাজিত করি”।
৮০. দেশের প্রথম নারী প্রোগ্রামার– শাহেদা মুস্তাফিজ।


৮১. জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা দিবস– ০১ ডিসেম্বর।
৮২. বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং চালু করে- ডাচ-বাংলা ব্যাংক।
৮৩. BSEC এর চেয়ারম্যানের মেয়াদকাল– ৪ বছর
৮৪. মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েডের মাসকটের নাম– বাগড্রয়েড (Bugdroid)।
৮৫.সরকারি চাকুরিতে কোটা পদ্ধতি চালু হয়– ৫ নভেম্বর, ১৯৭২।
৮৬.যুক্তরাজ্যের ব্রেক্সিট কার্যকর হবে– ২০১৯ সালের ১৯ শে মার্চ।
৮৭. “Daily Telegraph” পত্রিকাটি– যুক্তরাজ্যের।
৮৮. বাংলাদেশে “Agent Banking” চালু করে সর্বপ্রথম– Bank Asia.
৮৯. ” Agent Banking” এ শীর্ষে– Dutch-Bangla Bank Limited.
৯০. দেশে “Agent Banking” এর কার্যক্রম শুরু হয়– ২০১৩ সালে।


৯১. “বদ্বীপ – পরিকল্পনা ২১০০” প্রণয়ন করেছে– পরিকল্পনা কমিশনের অর্থনীতি বিভাগ।
৯২. “বদ্বীপ পরিকল্পনা” এর ইংরেজি নাম– Delta Plan.
৯৩. “বদ্বীপ পরিকল্পনা” প্রণয়ন করা হয়েছে যে দেশের ডেল্টা প্লানের আলোকে– নেদারল্যান্ডস।
৯৪. “বদ্বীপ পরিকল্পনা” এর বৃহৎ পরিসরে মোট লক্ষ্য– ০৩ টি (( ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্যতা দূর করা; ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত এবং ২০৪১ সালের মধ্যে সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন))।
৯৫.”বদ্বীপ পরিকল্পনা” এর মেয়াদ– ১০০ বছর।
৯৬. “বঙ্গবন্ধু ০১” এর পরীক্ষামূলক সম্প্রচার শুরু হয়– ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮।
৯৭. FAO এর তথ্যনুযায়ী, ধান উৎপাদনে বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বে– ৪র্থ।
৯৮. FAO এর তথ্যনুযায়ী, মাছ উৎপাদনে বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বে– ৩য়।
৯৯. “Mobile Banking” এর মাধ্যমে দেশে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হচ্ছে- প্রায় ৯৯৪ কোটি টাকা।
১০০. বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু– ৭২.৮০ বছর।


সাধারণ জ্ঞান : আন্তর্জাতিক
গোয়েন্দা সংস্থা :
১০১। ফেয়ারফ্যাক্স- যুক্তরাষ্ট্র
১০২। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড- যুক্তরাজ্য
১০৩। মুখবরাত- মিশর
১০৪। মোসাদ- ইসরায়েল
১০৫। আমান- ইসরায়েল
১০৬। সাভাক- ইসরায়েল
১০৭। র ( RAW) – ভারত
১০৮। আইএসআই- পাকিস্তান
বিমানসংস্থার নাম:
১০৯। ইন্দোনেশিয়া – গারুদা
১১০। জার্মানি – লুফথানসা
১১১। রাশিয়া – এরোফ্লট
১১২। ট্রান্স ওয়ার্ল্ড এয়ার লাইনস- যুক্তরাষ্ট্র
বিমানবন্দর :
১১৩। হিথ্রো বিমানবন্দর – লন্ডন
১১৪। সুবর্ণভূমি বিমানবন্দর – নেপাল
দিবস:
১১৫। বিশ্ব নারী দিবস- ৮ মার্চ
১১৬। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস- ৭ এপ্রিল
১১৭। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী দিবস- ২৯ মে
১১৮। বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস- ৩১মে
১১৯। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস- ১১ জুলাই
১২০। বিশ্ব আদিবাসী দিবস – ৯ আগস্ট
১২১। বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস – ৮ সেপ্টেম্বর
১২২। আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস – ১৫ সেপ্টেম্বর
১২৩। বিশ্ব অহিংস দিবস – ২ অক্টোবর
১২৪৷ বিশ্ব খাদ্য দিবস – ১৬ অক্টোবর
১২৫। বিশ্ব এইডস দিবস – ১ ডিসেম্বর
১২৬। বিশ্ব দুর্নীতি বিরোধী দিবস – ৯ ডিসেম্বর
১২৭। বিশ্ব মানবাধিকার দিবস- ১০ ডিসেম্বর
১২৮) দশানন কোন সমাস – বহুব্রীহি
১২৯) Executive – এর পরিভাষা – নির্বাহী
১৩০) পর্যালোচনা এর সন্ধি বিচ্ছেদ – পরি+আলোচনা
১৩১) মেধাবী শব্দের প্রকৃতি প্রত্যয় – মেধা+বিণ
১৩২) গোঁফ খেজুরে অর্থ – নিতান্ত অলস
১৩৩) অন্ধজনে দেহ আলো এখানে অন্ধজনে কারক বিভক্তি – সম্প্রদানে ৭মী
১৩৪) পৃথিবী শব্দের প্রতিশব্দ নয় – বারি
১৩৫) কচ্ছপের কামড় বাগধারার অর্থ – নাছোড় বান্দা
১৩৬) লাঠা লাঠি – বহুব্রীহি সমাস
১৩৭) ভুল প্রতিশব্দ – ইচ্ছা- পরশ্রীকাতরতা
১৩৮) ঠাকুরমার ঝুলি কি জাতীয় সংকলন – রুপকথা
১৩৯) সৌম্য এর বিপরীত – উগ্র
১৪০) জীবন্মৃত এর ব্যাসবাক্য – জীবিত থেকেও যে মৃত
নদী
১৪১। পৃথিবীর বৃহত্তম নদী- আমাজন
১৪২। এশিয়ার দীর্ঘতম নদী- ইয়াংসিকিয়াং
১৪৩। হোয়াংহো নদীর স্থপত্তিস্থল – কুনলুন পর্বত
১৪৪। চীনের দুঃখ বলে পরিচিত- কুনলুন পর্বত
১৪৫। ইউরোপের সবচেয়ে বড় নদী- ভলগা
১৪৬। ব্ল্যাকফরেস্ট অবস্থিত – জার্মানি
১৪৭। শাত-ইল-আরব হলো- ট্রাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস বদরী মিলিত প্রবাহ
১৪৮। পৃথিবীর কোন নদীতে মাছ হয় না?- জর্ডান
১৪৯। পশ্চিম তীর অবস্থিত – জর্ডান
জলপ্রপাত :
১৫০। বিশ্বের উচ্চতম জলপ্রপাত – অ্যাঞ্জেলস
১৫১। নায়াগ্রা জলপ্রপাত অবস্থিত – আমেরিকা-কানাডা
১৫২। বিশ্বের বৃহত্তম জলপ্রপাত – ভিক্টোরিয়া
ভৌগলিক উপনাম:
১৫৩। বিশ্বের রাজধানী – নিউইয়র্ক
১৫৪। পৃথিবীর কসাইখানা – শিকাগো
১৫৫। ভূ-স্বর্গ– কাশ্মীর
১৫৬। শ্বেতহস্তীর দেশ – থাইল্যান্ড
১৫৭। হাজার হ্রদের দেশ – ফিনল্যান্ড
১৫৮। হাজার দ্বীপের দেশ – ইন্দোনেশিয়া
১৫৯। ম্যাপল পাতার দেশ – কানাডা
১৬০। নীরব খনির দেশ – বাংলাদেশ
১৬১। সমুদ্রের বধূ- ব্রিটেন
১৬২। সাত পাহাড়ের শহর– রোম
১৬৩। সোনালী তোরণের শহর– সানফ্রান্সিসকো
১৬৪। সংস্কৃতির শহর- প্যারিস
১৬৫। বিগ আপেল – নিউইয়র্ক
১৬৬। উত্তরের ভেনিস — স্টকহোম
১৬৭। প্রাচ্যের ভেনিস- ব্যাংকক
১৬৮। ইউরোপের রণক্ষেত্র— বেলজিয়াম
১৬৯। পুষ্পমণ্ডিত বৃক্ষের শহর– হারারে
১৭০। সাত পাহাড়ের দেশ – রোম
ভাষা:
১৭১। চীন- মান্দারিন (সবচেয়ে বেশি লোক এ ভাষায় কথা বলে)
১৭২। আর্জেন্টিনা, চিলি, মেক্সিকো, স্পেন- স্পেনিশ
১৭৩। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা, ঘানা, জিম্বাবুয়ে, উগান্ডা, নাইজেরিয়া- ইংরেজি
১৭৪। ব্রাজিল, পর্তুগাল – পর্তুগিজ
১৭৫। জার্মানি, অস্ট্রিয়া– জার্মান
১৭৬। ফ্রান্স, সেনেগাল, বেলজিয়াম, কঙ্গো, মাদাগাস্কার – ফ্রেঞ্চ
১৭৭। অ্যান্ডোরা, স্পেন – ক্যাটালান
১৭৮। আফগানিস্তান- পশতু
১৭৯। ভুটান- দোজাংখা
১৮০। কেনিয়া, তানজানিয়া- সোয়াহিলি
১৮১। মালদ্বীপ – দিভেহী
১৮২। শ্রীলঙ্কা – সিংহলি
১৮৩। ইসরায়েল – হিব্রু
১৮৪। মালয়েশিয়া – মালয়
১৮৫। কম্বোডিয়া – খেমার
১৮৬। ঘানা- আকান

১৮৭। আকাবা- জর্ডান
১৮৮। বন্দর আব্বাস – ইরান
১৮৯। এডেন– ইয়েমেন
১৯০। হাইফা- ইসরায়েল
১৯১। ডানজিগ– পোল্যান্ড
১৯২। আন্টওয়ার্প- বেলজিয়াম
১৯৩। পোর্ট সৈয়দ – মিশর
১৯৪। ক্যাসাব্লান্কা- মরক্কো
১৯৫। বেনগাজী- লিবিয়া
১৯৬। উমকাসর- ইরাক
১৯৭। ইসকানদারুন- তুরস্ক
মুদ্রা :
১৯৮। গুলট্রাম- ভুটান
১৯৯। কিয়াট- মায়ানমার
২০০। রিংগিত- মালয়েশিয়া
২০১। ইসরায়েল – শেকেল
২০২। জলোটি- পোল্যান্ড
২০৩। সেডি- ঘানা
২০৪। ডং- ভিয়েতনাম
আইনসভা :
২০৫। ইসরায়েল – নেসেট
২০৬। জাপান – ডায়েট
২০৭। আফগানিস্তান – লয়া জিরগা
২০৮। যুক্তরাষ্ট্র – কংগ্রেস
২০৯। রাশিয়া – স্টেট ডুমা
২১০। পাকিস্তান – মজলিশ
২১১। নরওয়ে – স্টরটিং
২১২। ডেনমার্ক – ফোকেটিং
২১৩। জার্মানি – বুন্টেসট্যাগ
হ্রদ :
২১৫। আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ- কাস্পিয়ান সাগর
২১৬। বিশ্বের বৃহত্তম সুপেয় পানির হ্রদ- সুপিরিয়র হ্রদ
২১৭। গ্রেট লেকস কয়টি?- ৫ টি
২১৮। তাঞ্জানিয়া ও উগান্ডার আন্তর্জাতিক সীমানা হিসেবে পরিচিত – ভিক্টোরিয়া হ্রদ
২১৯। বিশ্বের গভীরতম হ্রদ- বৈকাল
২২০। পৃথিবীর সর্বাধিক লবণাক্ত পানির হ্রদ- আসাল হ্রদ
২২১। লবণ সাগরের আসল নাম- মৃত সাগর
২২২। পৃথিবীর যে সাগরে মানুষ অনায়াসে গা ভাসিয়ে থাকতে পারে- মৃতসাগর/ লবণ সাগর
প্রণালি :
২২৩। এশিয়া থেকে আমেরিকাকে পৃথক করেছে- বেরিং প্রণালী
২২৪। ভারত হতে শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে- পক প্রণালি
২২৫। পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর সংযুক্ত করেছে- হরমুজ প্রণালি
২২৬। এডেন সাগর ও লোহিত সাগরকে সংযুক্ত করেছে- বাব-এল-মান্দেব
২২৭। এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে- বসফরাস প্রণালি / দার্দানেলিস প্রণালি
২২৮। ইউরোপ হতে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে- জিব্রাল্টার প্রণালি
২২৯। ফ্রান্স ও ব্রিটেন পৃথক করেছে- ইংলিশ চ্যানেল
২৩০। ব্রজেন দাস- একজন বাঙ্গালি সাঁতারু
২৩১। পৃথিবীর বৃহত্তম খাল- সুয়েজ খাল
২৩২। সুয়েজ খাল অবস্থিত – মিশর
২৩৩। সুয়েজ খাল চালু হয়- ১৮৬৯ সালে
২৩৪। সুয়েজ খাল সংযুক্ত করেছে- ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর
২৩৫। পানামা খাল সংযুক্ত করেছে- আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
নদী:
২৩৬। পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী- নীল নদ
২৩৭। নীলনদ প্রবাহিত হয়েছে- ১১ টি
২৩৮। কায়রো কোন নদীর তীরে অবস্থিত? – নীল
২৩৯। পৃথিবীর প্রশস্ততম নদী- আমাজন
২৪০। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পানি প্রবাহিত হয়- আমাজন
২৪১। মাতৃতান্ত্রিক উপজাতি – খাসিয়া
২৪২। পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম – বৈসাবি
২৪৩। “ কালার রেভল্যুশন “ যে দেশে উসকে দিয়েছিল – রাশিয়ায়
২৪৪। স্নায়ুযুদ্ধ হয়েছিল – পঞ্চাশের দশকে
২৪৫ স্নায়ুযুদ্ধ হয়েছিল – সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে
২৪৬। স্নায়ুযুদ্ধের ফলে যে ২ টি জোট গঠিত হয়েছিল – ন্যাটো ও ওয়ারশ জোট
২৪৭। আরব বসন্ত – ২০১০-১১ সালে
২৪৮। ইরাক ছাড়া আর যে দেশে নো ফ্লাই জোন আছে – লিবিয়ায়
২৪৯। রাশিয়া ক্রিমিয়া উপদ্বীপ দখল করে নেয় – ২০১৪ সালে, ইউক্রেনের কাছ থেকে
২৫০। রাশিয়ার মোট দেশজ উৎপাদন – ১৫ হাজার ৭০০ কোটি ডলার যা যুক্তরাষ্ট্রের মাত্র ৮% এর সমান
২৫১ Acting = কার্যকরী, ভারপ্রাপ্ত
২৫২ Allotment = বরাদ্দ
253 Agenda = অালোচ্যসূচি
254 Advice = উপদেষ্টা
255 Admission = ভর্তি
256 Ad- hoc= তদর্থক, অনানুষ্ঠানিক
257 Affidavit = শপথপত্র, হলফনামা
258 Admit-card= প্রবেশপথ
259 Architecture = স্থাপত্য
260 Auditor = নিরীক্ষক
261 Audio= শ্রুতি
Act= আইন
Audit= নিরীক্ষা
Abolition = বিলোপ
Auction = নিলাম
Author = লেখক,গ্রন্থকার
Autograph – স্বাক্ষর
Assembly = পরিষদ
Aid=সাহায্য
Ailen=বিদেশি
Allegation =অভিযোগ
Agent = প্রতিনিধি
Adaptation = উপযোগীকরণ
Agent = প্রতিনিধি
Broker = দালাল
Bacteria = জীবাণু
Blue – Print = নীলনকশা
Basin = অববাহিকা
Barrack = সেনানিবাস
280 Book -post = খোলা ডাক
Book – keeping = হিসাবরক্ষণ
Birth – Control = জন্মনিয়ন্ত্রণ
Bail = জামিন
Break of study = অধ্যায়ন বিরতি
Bio – data = জীবনবৃত্তান্ত
By -election = উপনির্বাচন
Brand = প্রতীক / মার্কা
Biography = জীবনচরিত
Bond = প্রতিজ্ঞাপত্র
290 Bibliography = গ্রন্থ বিবরণী
Booklet = পুস্তিকা
Cabinet = মন্রীপরিষদ
Cartoon = ব্যঙ্গচিত্র
Campus = শিক্ষাঙ্গন
Code = সংকেত
Copy = প্রতিলিপি, অনুলিপি
Census = আদমশুমারি
Civil War = গৃহযুদ্ধ
Co -ordinator = সমন্বয়কারী
300 Constitution = সংবিধান
Chancellor = আচার্য
Chief whip = মূখ্য সচেতক
Casual = নৈমিত্তিক
Calligraphy = হস্তলিপিবিদ্যা
Capital = মূলধন, রাজধানী
Copyright = স্বত্ব/মেধাস্বত্ব
Conduct = আচরণ
Cold Storage =হিমাগার
Corbondi – oxide =অঙ্গারাম্লাজান
Care -taker = তত্ত্বাবধারক
Crown = মুকুট
Dialect = উপভাষা
Donation = দান
Deed = দলিল

Primary Assistant Teacher Question Solution & MCQ Question Test 2020

✿➢১) সামরিক শাসন জারি করা হয় – ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর
✿➢২) আইয়ুব খান ক্ষমতা দখল করেন – ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর
✿➢৩) মৌলিক গণতন্ত্র চালু করেন – আইয়ুব খান
✿➢৪) আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হয় – ১৯৬১ সালে
✿➢৫) ছাত্র সমাজ ১৫ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে – ১৯৬২ সালে
✿➢৬) ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ হয় – ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর
✿➢৭) ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ চলে – ১৭ দিন
✿➢৮) বাঙ্গালি জাতির মুক্তির সনদ – ৬ দফা দাবি
✿➢৯) ৬ দফা দাবি উথাপন করেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
✿➢১০) ৬ দফা দাবি উথাপন করা হয় – ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি
✿➢১১) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি ছিল – ৩৫ জন
✿➢১২) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয় – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে
✿➢১৩) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার শুনানি হয় – ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন
✿➢১৪) ঊনসত্তরের গণ অব্যুথান হয় – ১৯৬৯ সালে
✿➢১৫) গণ অভ্যুথানে শহীদ হন – আসাদ, ড. শামসুজ্জোহা
✿➢১৬) আগরতাল ষড়যন্ত্র মামলা থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দেয়া হয় – ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি
✿➢১৭) শেখ মুজিবুর রহমানকে ” বঙ্গবন্ধু ” উপাধি দেয়া হয় – ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
✿➢১৮) আইয়ুব খান পদত্যাগ করেন – ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ
✿➢১৯) কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর
✿➢২০) নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল – ৫ কোটি ৬৪ লাখ
✿➢২১) কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আসন লাভ করে – ১৬৭ টি ( ১৬৯ এর মধ্যে)
✿➢২২) প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর
✿➢২৩) প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে আ.লীগ আসন পায় – ২৮৮ টি ( ৩০০ এর মধ্যে)
✿➢২৪) পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করেন – আগা খান
✿➢২৫) অধিবেশন স্থগিত করা হয় – ১৯৭১ সালের ১ মার্চ

✿➢২৬) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
✿➢২৭) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয়া হয় – ১৯৭১ সালের ২ মার্চ
✿➢২৮) বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের সময় পূর্ব পাকিস্তানে চলছিল – অসহযোগ আন্দোলন
✿➢২৯) জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহবান করা হয় – ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ
✿➢৩০) পূর্ববাংলার স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়া হয় – ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে
✿➢৩১) অপারেশন সার্চ লাইট চালানোর নীলনক্সা করা হয় – ১৯৭১ সালের ১৭ মার্চ
✿➢৩২) নীলনক্সা করেন – টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী
✿➢৩৩) অপারেশন সার্চ লাইট হলো – ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের বর্বরহত্যাকান্ড
✿➢৩৪) বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেন – ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ওয়্যারলেসযোগে
✿➢৩৫) বঙ্গবন্ধুকে শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয় – ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে আনুমানিক রাত ১.৩০ মিনিটে
✿➢৩৬) শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন- ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ২৫ মার্চ রাত ১২ টার পর
✿➢৩৭) বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাটি ছিল – ইংরেজিতে।
✿➢৩৮) বাংলাদেশের অধিকাংশ নদীর উৎপত্তিস্থল – ভারতে
✿➢৩৯) বাংলাদেশে নদী পথের দৈর্ঘ্য – ৯৮৩৩ কিমি
✿➢৪০) সারাবছর নৌ চলাচলের উপযোগী নৌপথ – ৩,৮৬৫ কি.মি
✿➢৪১) অভ্যন্তরীন নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ তৈরি হয়েছে – ১৯৫৮ সালে
✿➢৪২) কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকর প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় – পাকিস্তান আমলে
✿➢৪৩) অভ্যন্তরীন নৌ পথে দেশের মোট বাণিজ্যিক মালামালের – ৭৫% আনা নেয়া হয়
✿➢৪৪) বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৭২ সালে
✿➢৪৫) বাংলাদেশে চা চাষ হচ্ছে – উওর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ে
✿➢৪৬) সারা বছর বৃষ্টিপাত হয় – উষ্ণ ও আদ্র জরবায়ু অঞ্চলে
✿➢৪৭) বাংলাদেশে চির হরিৎ বনাঞ্চল – পার্বত্য চট্টগ্রামের বনাঞ্চল
✿➢৪৮) বাংলাদেশে খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ জেলা সমূহ – পূবাঞ্চলীয় পাহাড়ি জেলা সমূহ
✿➢৪৯) বাংলাদেশের লবণাক্তের পরিমাণ বেশি – দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা
✿➢৫০) বাংলাদেশের ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল বনভূমি- দক্ষিণ পূর্ব ও উত্তর পুর্ব অংশের পাহাড়ী অঞ্চল
✿➢৫১) চিরহরিৎ বনকে বলা হয় – চির সবুজ বন
✿➢৫২) চিরহরিৎ বনভূমির পরিমাণ – ১৪ হাজার বর্গ কি.মি

✿➢৫৩) প্রচুচুর বাঁশ ও বেত জন্মে – সিলেটে
✿➢৫৪) রাবার চাষ হয় – পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটে
✿➢৫৫) ক্রান্তীয় পাতাঝরা অরণ্য – ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলায়
✿➢৫৬) শীতকালে গাছের পাতা সম্পূর্ণ ঝরে যায় – ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমির
✿➢৫৭) ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমির প্রধান বৃক্ষ – শাল
✿➢৫৮) মধুপুর ভাওয়াল বনভূমি – ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে
✿➢৫৯) দিনাজপুরে এটি – বরেন্দ্র নামে পরিচিত
✿➢৬০) স্রোতজ বনভূমি- দক্ষিণ পশ্চিমাংশের নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলীয় বন
✿➢৬১) স্রোতজ বনভূমি প্রধানত জন্মে – সুন্দরবনে
✿➢৬২) বাংলাদেশে স্রোতজ বা গরান বনভূমির পরিমাণ – ৪,১৯২ বর্গ কি.মি
✿➢৬৩) বাংলাদেশ সরকারে বিভাগ – ৩ টি
✿➢৬৪) আইনবিভাগের কাজ – আইন প্রনয়ন ও প্রচলিত আইনের সংশোধন
✿➢৬৫) আইন বিভাগের একটি অংশ – আইনসভা
✿➢৬৬) এপ্রিল মাসের গড় তাপমাত্রা – কক্সবাজার ২৭.৬৪ ডিগ্রী, নারায়ণগঞ্জে ২৮.৬৬ ডিগ্রী, রাজশাহীতে ৩০ ডিগ্রী
✿➢৬৭) গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে যায় – দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু
✿➢৬৮) কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানে – পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিক থেকে
✿➢৬৯) প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় হয় – ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল
✿➢৭০) বাংলাদেশে বর্ষাকাল – জুন হতে অক্টোবর মাস
✿➢৭১) প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় – জুন মাসের শেষ দিকে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে
✿➢৭২) বর্ষাকালে আবহাওয়া সর্বদা – উষ্ণ থাকে
✿➢৭৩) বর্ষাকালে গড় উষ্ণতা – ২৭ ডিগ্রী সে.
✿➢৭৪) বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি গরম পড়ে – জুন ও সেপ্টেম্বর মাসে
✿➢৭৫) বাংলাদেশের মোট বৃষ্টিপাতের – ৪/৫ ভাগ হয় হয় বর্ষাকালে
✿➢৭৬) বর্ষাকালে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন গড় বৃষ্টিপাত হয় – ৩৪০ ও ১১৯ সে.মি
✿➢৭৭) বর্ষাকালে ক্রমে বৃষ্টিপাত বেশি হয় – পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে
✿➢৭৮) বর্ষাকালে বিভিন্ন জেলার বৃষ্টিপাতের পরিমান –পাবনায় প্রায় ১১৪, ঢাকায় ১২০, কুমিল্লায় ১৪০, শ্রীমঙ্গলে ১৮০ এবং রাঙ্গামাটিতে ১৯০ সে.মি

✿➢৭৯) বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় – মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে
✿➢৮০) বর্ষাকালে পর্বতের পাদদেশে এবং উপকূলবর্তী অঞ্চলের কোথাও বৃষ্টিপাত – ২০০ সে.মি কম হয়
✿➢৮১) বর্ষাকালে বিভিন্ন অঞ্চলের বৃষ্টিপাত – সিলেটের পাহাড়ী অঞ্চলে ৩৪০ সেমি, পটুয়াখালীতে ২০০ সেমি, চটগ্রামে ২৫০ সেমি, রাঙ্গামাটিতে ২৮০ সেমি এবং কক্সবাজারে ৩২০ সেমি।

✿➢৮২) জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে সমুদ্রপৃষ্টের উচ্চতা প্রতি বছর গড়ে বৃদ্ধি – ৪ মিমি থেকে ৬ মিমি ( হিরন পয়েন্ট, চর চংগা, কক্সবাজার)
✿➢৮৩) গত ৪ হাজার বছরে ভূমিকম্পে পৃথিবীতে মানুষ মারা যায় – প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ
✿➢৮৪) ভৌগোলিক ভাবে বাংলাদেশের অবস্থান – ইন্ডিয়ান ও ইউরোপিয়ান প্লেটের সীমানায়
✿➢৮৫) বাংলাদেশে ভূমিকম্পের মানবসৃষ্ট কারন – পাহাড় কাটা
✿➢৮৬) ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্রের পানি উপকূলে উঠে – ১৫-২০ মিটার উঁচু হয়ে
✿➢৮৭) ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্টি হয় – সুনামি
✿➢৮৮) ইন্দোনেশিয়ায় মারাত্নক সুনামি আঘাত হানে – ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর
✿➢৮৯) বাংলাদেশে ভূমিকম্প হয়ে থাকে – টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারনে
✿➢৯০) বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয় মানচিত্র তৈরি করেছিলেন – ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার কনসোর্টিয়াম ১৯৮৯ সালে
✿➢৯১) তিনি বলয় দেখিয়েছেন – ৩ টি
✿➢৯২) বলয়গুলোকে ভাগ করেছেন – প্রলয়ংকারী, বিপজ্জনক, লঘু
✿➢৯৩) এই বলয় সমূহকে বলা হয় – সিসমিক রিস্ক জোন
✿➢৯৪) বরেন্দ্রভূমি – নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর ও দিনাজপুরের অংশ বিশেষ নিয়ে গঠিত
✿➢৯৫) বরেন্দ্রভূমির আয়তন – ৯৩২০ বর্গ কি.মি
✿➢৯৬) প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা – ৬ থেকে ১২ মিটার
✿➢৯৭) বরেন্দ্র অঞ্চলের মাটি – ধূসর ও লাল বর্ণের
✿➢৯৮) মধুপুর ও ভাওয়ালের সোপানের আয়তন – ৪,১০৩ বর্গ কি.মি
✿➢৯৯) সমভূমি থেকে এর উচ্চতা – ৬থেকে ৩০ মিটার
✿➢১০০) মধুপুর ও ভাওয়ালের মাটি – লালচে ও ধূসর

Upcoming All Jobs Exam MCQ Question Test 2020

আরো পড়ুন:-
নতুন নিয়মে ৩৯ তম স্পেশাল বিসিএস | শুধুমাত্র এমসিকিউ-মৌখিক
১০১) লালমাই পাহাড় – কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কি.মি পশ্চিমে
১০২) লালমাই পাহাড়ের আয়তন – ৩৪ বর্গ কি.মি
১০৩) এই পাহাড়ের উচ্চতা–২১ মিটার
১০৪) লালমাই পাহাড়ের মাটি- লালচে, এবং নুড়ি, বালি ও কংকর মিশ্রিত
১০৫) বাংলাদেশের নদী বিধৌত বিস্তীর্ণ সমভূমি – প্রায় ৮০%
১০৬) প্লাবন সমভূমির আয়তন – ১,২৪,২৬৬ বর্গ কি.মি
১০৭) প্লাবন সমভূমি – দেশের উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ
১০৮) উপকূলীয় সমভূমি – নোয়াখালী, ফেনীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত
১০৯) স্রোতজ সমভূমি – খুলনা পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার কিয়দংশ
১১০) জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান – ৯ম
১১১) ২০০১ সালে জনসংখ্যা ছিল – ১২.৯৩ কোটি
(২০১৭সালে১৬৩,১৮৭,০০০ জন প্রায়)
১১২) জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল – ১.৪৮%
১১৩) বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার – ১.৩৭ %
১১৪) আদমশুমারি ২০১১ অনুযায়ী জনসংখ্যা – ১৪.৯৭ কোটি (১৪,৯৭,৭২,৩,৬৪জ
ন)
১১৫) প্রতি বর্গকিলোমিটারে বাস করে – ১১০৬ জন
১১৬) জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম – পার্বত্য অঞ্চল ও সুন্দরবনে
১১৭) শীত গ্রীষ্মের তারতম্য বেশী – দেশের উত্তরাঞ্চলে
১১৮) বর্তমানে মাথাপিছু জমির পরিমান – ০.২৫ একর
১১৯) বাংলাদেশের জলবায়ু – ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু

১২০) বাংলাদেশে শীতকাল- নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি
১২১) শীতকালে দেশের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা – ২৯ ডিগ্রী ও ১১ ডিগ্রী সে.
১২২) বাংলাদেশের শীতলতম মাস- জানুয়ারি
১২৩) জানুয়ারি মাসের গড় তাপমাত্রা – ১৭.৭ ডিগ্রী সে.
১২৪) জানুয়ারি মাসে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা – দিনাজপুরে ১৬.৬
১২৫) বাংলাদেশে গ্রীষ্মকাল – মার্চ থেকে মে মাস
১২৬) গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা – ৩৮ এবং ২১ ডিগ্রী সে.
১২৭) উষ্ণতম মাস – এপ্রিল মাস
১২৮) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব দেন – ১৯৩৭ সালে
১২৯) ব্রিটিশ শাসনের অবসান হয় – ১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্ট
১৩০) মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাবের বিরোধীতা করেন – শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক
১৩১) চৌধুরী খালেকুজ্জামান পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা উর্দু করার দাবি করেন – ১৯৪৭ সালের ১৭ মে
১৩২) চৌধুরী খালেকুজ্জামান এর প্রস্তাবের বিরোধীতা করেন – ড.
মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং ড. এনামুল হক
১৩৩) ‘ গণ আজাদী লীগ’ গঠিত হয় – ১৯৪৭ সালে কারুদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে
১৩৪) গণ আজাদী লীগের দাবি ছিল – মাতৃভাষায় শিক্ষা দান
১৩৫) তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয় – ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর
১৩৬) তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয় – অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে
১৩৭) ভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে – তমদ্দুন মজলিশ
১৩৮) উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় – ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে
১৩৯) বাংলাকে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান – ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ( ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি)
১৪০) সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় – ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ
১৪১) বাংলা ভাষা দাবি দিবস পালনের ঘোষণা দেয় যে তারিখকে – ১৯৪৮ সালে ১১ মার্চকে
১৪২) পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগ ( বর্তমান ছাত্র লীগ) গঠিত হয় – ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি
১৪৩) ৮ দফা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় – ১৯৪৮ সালের ১৫ মার্চ
১৪৪) ৮ দফা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় – মুখ্য মন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ও রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের মধ্যে
১৪৫) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রেসকোর্স ময়দানে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষার করার কথা ঘোষণা দেন – ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ
১৪৬) খাজা নাজিমুদ্দিন উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দেন- ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি পল্টন ময়দানে
১৪৭) রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ নতুন ভাবে গঠিত হয় – ১৯৫২ সালের ৩০ জানুয়ারি ( আবদুল মতিন আহবায়ক)
১৪৮) ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি কর্মসূচি পালনের পরামর্শ দেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১৪৯) ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি – সকাল ১১ টায় সভা অনুষ্ঠিত হয়
১৫০) ২১ ফেব্রুয়ারির সভা অনুষ্ঠিত হয় – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায়

এরকম আরো গুরত্বপূর্ন সব পোস্ট সাথে সাথে পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে দিয়ে রাখুন।
১৫১) সভায় সিদ্ধান্ত হয় – ১০ জন করে মিছিল করবে
১৫২) শহীদ শফিউর মৃত্যুবরণ করেন – ১৯৫২ সালের ২২ফেব্রুয়ারি
১৫৩) প্রথম শহীদ মিনার নির্মান করা হয় – ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে
১৫৪) প্রথম শহীদ মিনার উদ্বোধন – ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
১৫৫) প্রথম শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন – ভাষা শহীদ শফিউরের পিতা
১৫৬) একুশে ফ্রব্রুয়ারির উপর প্রথম কবিতা লেখেন – চট্টগ্রামের কবি মাহবুব উল আলম
১৫৭) ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতার নাম – কাঁদতে
আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
১৫৮) আলাউদ্দিন আল আজাদ রচনা করেন – স্মৃতির মিনার কবিতাটি
১৫৯) ভাষা আন্দোলনের গান – আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি ( আব্দুল গাফফার চৌধুরী)
১৬০) আব্দুল লতিফ রচনা করেন – ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়
১৬১) মুনীর চৌধুরী ঢাকা জেলে বসে রচনা করেন – কবর নাটক
১৬২) জহির রায়হান রচনা করেন – আরেক ফাল্গুন উপন্যাস
১৬৩) বাংলাকে পাকিস্তানের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে – ১৯৫৬ সালে
১৬৪) বাঙ্গালীর পরিবর্তী সব আন্দোলনের প্ররণা দিয়েছিল – ১৯৫২ সালের
ভাষা আন্দোলন

১৬৫) শহীদ দিবস পালন শুরু হয় – ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে
১৬৬) শহীদ দিবসকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে – UNESCO
১৬৭) ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে – ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
১৬৮) পৃথিবীতে ভাষা রয়েছে – ৬০০০ এর বেশি
১৬৯) পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয় – ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন
১৭০) গঠনের স্থান – ঢাকার রোজ গার্ডেন
১৭১) সভাপতি ছিলেন – মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
১৭২) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন – শামসুল হক ( টাঙ্গাইল)
১৭৩) যুগ্ন সম্পাদক ছিলেন – শেখ মুজিবুর রহমান
১৭৪) ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট গঠনের উদ্যোগ ছিল – আওয়ামী লীগের
১৭৫) পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নামকরন করা হয় – ১৯৫৫ সালে
১৭৬) যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত হয় – ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর
১৭৭) যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় – ৪ টি দল নিয়ে
১৭৮) যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার ছিল – ২১ টা
১৭৯) প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৫৪ সালের মার্চে
১৮০) পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদের আসনছিল – ২৩৭ টি
১৮১) যুক্তফ্রন্ট আসন লাভ করে – ২২৩ টি
১৮২) ২১ দফার প্রথম দফা ছিল – বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
১৮৩) যুক্তফ্রন্টের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহন করেন – এ.কে ফজলুল হক ( ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল)
১৮৪) যুক্তফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় ছিল – ৫৬ দিন
১৮৫) যুক্তফ্রন্ট সরকারকে বরখাস্ত করে – ১৯৫৪ সালের ৩০ মে
১৮৬) বরখাস্ত করেন – গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ
১৮৭) বরখাস্তের ইস্যু ছিল – আদমজি ও কর্ণফুলি কাগজ কলে বাঙ্গালিঅবাঙ্গা\
লি দাঙ্গা।

১৮৮) বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করা হয় – ইপিআর ট্রান্সমিটার, টেলিগ্রাম ও টেলিপ্রিন্টারের মাধ্যমে
১৮৯) বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা চট্টগ্রাম থেকে প্রচার করেন – ২৬ মার্চ দুপুর ও সন্ধ্যায় এম, এ, হান্নান
১৯০) মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন – ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে
১৯১) বাঙ্গালী পাকিস্তানের শাসনের অধীনে ছিল- ২৪ বছর
১৯২) মেহেরপুর জেলার অন্তর্গত – বৈদ্যনাথ তলাএবং আম্রকানন
১৯৩) বৈদ্যনাথ তলার বর্তমান নাম – মুজিবনগর
১৯৪) মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় – ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
১৯৫) বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় – ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
১৯৬) মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহন করে – ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
১৯৭) মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১৯৮) উপরাষ্ট্রপতি – সৈয়দ নজরুল ইসলাম
১৯৯) প্রধান মন্ত্রী – তাজ উদ্দীন আহমেদ
২০০) অর্থমন্ত্রী – এম. মনসুর আহমদ
❍☞২০১)মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী – এ.এইচ. এম. কামারুজ্জামান
❍☞ ২০২) মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী – খন্দকার মোশতাক আহমেদ
❍☞২০৩) মুজিব নগর সরকারের শপথবাক্য পাঠ করান – অধ্যাপক ইউসুফ আলী
❍☞২০৪) মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন – কর্ণেল ( অব.) এম.এ. জি ওসমানী
❍☞২০৫) মুজিব নগর সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল – মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ও বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বে জনমত সৃষ্টি করা
❍☞২০৬) মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রনালয় ছির – ১২ টি
❍☞২০৭) মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত ছিলেন – বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
❍☞২০৮) বাংলাদেশে কয়টি সামরিক জোনে ভাগ করা হয় – ৪ টি ( ১৯৭১ সাল ১০ এপ্রিল)
❍☞২০৯) ৪ সামরিক জোনে ছিলেন – ৪ জন সেক্টর কমান্ডার
❍☞২১০) ১১ এপ্রিল পুনঃরায় ভাগ করা হয় – ১১ টি সেক্টরে
❍☞২১১) মুক্তিযুদ্ধের ব্রিগেড ফোর্স ছিল – ৩ টি
❍☞২১২) কাদেরীয়া বাহিনী ছিল – টাঙ্গাইলের
❍☞২১৩) ইপিআর – ইষ্ট পাকিস্তান রাইফেল
❍☞২১৪) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বলা যায় – গণযুদ্ধ বা জনযুদ্ধ
❍☞২১৫) ভারতে শরার্থী ছিল – ১ কোটি
❍☞২১৬) বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকরা হয় – ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর
❍☞২১৭) ১১ দফা আন্দোলন হয়েছিল – ১৯৬৮ সালে
❍☞২১৮) ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে চলছিল – বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলন
❍☞২১৯) মুজিবনগর সরকারের অধীনে ” পরিকল্পনা সেল ” গঠন করে – পেশাজীবীরা
❍☞২২০) মুক্তিযুদ্ধে সম্ভ্রম হারান – প্রায় তিন লক্ষ নারী
❍☞২২১) স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু করেন – চট্টগ্রাম বেতারের শিল্পী ও সংস্কৃতিনকর্মীরা
❍☞২২২) ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় – ৬ ডিসেম্বর১৯৭১
❍☞২২৩) মুক্তি বাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে গঠিত হয় – যৌথ কমাণ্ড
❍☞২২৪) মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বহির্বিশ্বে প্রচারের প্রধান কেন্দ্র ছিল – লন্ডন
❍☞২২৫) কনসার্ট ফর বাংলাদেশ এর শিল্পী ছিলেন – জর্জ হ্যারিসন
❍☞২২৬) কনসার্ট ফর বাংলাদেশ অনুষ্ঠিত হয় – যুক্তরাষ্ট্রর নিউইয়র্ক শহরে ( ৪০০০০ লোক ছিল)
❍☞২২৭) স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার ক্ষমতা গ্রহন করে – ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর
❍☞২২৮) বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে আসেন – ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
❍☞২২৯) অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় – ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি
❍☞২৩০) অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
❍☞২৩১) গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
❍☞২৩২) সংবিধান প্রনয়ণ কমিটির সদস ছিলেন – ৩৪ জন
❍☞২৩৩) সংবিধান কমিটি খসড়া সংবিধান পেশ করেন – ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর
❍☞২৩৪) সংবিধান গণ পরিষদে গৃহীত হয় – ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর
❍☞২৩৫) বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় – ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে
❍☞২৩৬) সংবিধানের মূলনীতি – ৪ টি
❍☞২৩৭) বাংলাদেশ গণ পরিষদ আদেশ জারি করা হয় – ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
❍☞২৩৮) বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন – ড. কুদরত এ খুদা কমিশন
❍☞২৩৯) বাংলাদেশের প্রথম সাধারন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ
❍☞২৪০) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি ছিল – সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়
❍☞২৪১) প্রথম দিকে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে – ১৪০ টি দেশ
❍☞২৪২) চট্টগ্রাম বন্দরের মাইনমুক্ত করার বিষয়ে সহযোগিতা করে – সোভিয়েত ইউনিয়ন
❍☞২৪৩) ভারতীয় বাহিনী বাংলাদেশ ছাড়ে – ১৯৭২ সালের মার্চে
❍☞২৪৪) বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হয় – ১৯৭২ সালে
❍☞২৪৫) জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে – ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
❍☞২৪৬) জাতি সংঘের সাধারণ অধিবেশনে সর্বপ্রথম বাংলায় ভাষণ দেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

❍☞২৪৭) বঙ্গবন্ধু পুরষ্কার পান – জুলিও কুরি শান্তি পদক
❍☞২৪৮) জুলিও কুরি পদক দেয় – বিশ্বশান্তি পরিষদ
❍☞২৪৯) সংবিধান কমিটির প্রধান ছিলেন – ড. কামাল হোসেন
❍☞২৫০) সংবিধান প্রণয়ণ কমিটিতে মহিলা সদস্য ছিলেন – ১ জন
✺ ২৫১) বাংলাদেশের সংবিধান প্রনয়ণে সময় লাগে – ১০ মাস
✺ ২৫২) বাংলাদেশ সংবিধান – লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয়
✺ ২৫৩) সংবিধানে ন্যায়পাল সৃষ্টির কথা বলা হয়েছে – ৭৭ নং অনুচ্ছেদে
✺ ২৫৪) বীরঙ্গনাদের সরকার ” নারী মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয় – ২০১৬ সালের ২৯ জানুয়ারি
✺ ২৫৫) সর্বজনীন ভোটাধিকারের নীতি – এক ব্যক্তি এক ভোট নীতি
✺ ২৫৬) সুপ্রীম কোর্ট বাতিল করে সংবিধানের – ৫ম, ৭ম ও ১৩ দশ সংশোধনী
✺ ২৫৭) জাতীয় শোক দিবস – ১৫ আগষ্ট
✺ ২৫৮) বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয় – ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট
✺ ২৫৯) জাতীয় ৪ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয় – ১৯৭৫ সালে ২২ আগষ্ট
✺ ২৬০) রাজনৈতিক দল ও কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করা হয় – ১৯৭৫ সালের ৩১ আগষ্ট
✺ ২৬১) ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন – খন্দকার মোশতাক আহমেদ
✺ ২৬২) ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয় – ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর
✺ ২৬৩) খালেদ মোশাররফ এর নেতৃত্বে সেনা অভ্যুথান হয় -১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর
✺ ২৬৪) জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যা করা হয় – ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর
✺ ২৬৫) বাংলাদেশে সেনা শাসন আমল – ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের পর থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত
✺ ২৬৬) গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয় – ১৯৯১ সালে
✺ ২৬৭) জিয়াউর রহমান সেক্টর কমান্ডার ছিলেন – ২ নং সেক্টরের
✺ ২৬৮) জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হন – ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল
✺ ২৬৯) রাষ্টপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭৮ সালের ৩ জুন
✺ ২৭০) বাংলাদেশের ২য় জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি
✺ ২৭১) সংবিধানের ৫ম সংশোধনী অবৈধ বলে সুপ্রীম কোর্ট রায় দেন – ২০০৮ সালে
✺ ২৭২) সার্ক গঠনের উদ্যেগক্তা – জিয়াউর রহমান
✺ ২৭৩) রাষ্টপতি জেনারেল জিয়াউর রহমান নিহত হন – ১৯৮১ সালের ৩১ মে
✺ ২৭৪) জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসন ছিল – সাড়ে ৫ বছর
✺ ২৭৫) জেনারেল এরশাদ রাষ্টপতি হন – ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর
✺ ২৭৬) রাষ্টপতি এরশাদ রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেন – ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ
✺ ২৭৭) সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম বিক্ষোভ হয় – ১৯৮৩ সালে
✺ ২৭৮) গণ আন্দোলন হয় – ১৯৯০ সালে
✺ ২৭৯) জেনারেল এরশাদ পদত্যাগ করেন – ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর
✺ ২৮০) এরশাদ ক্ষমতা দখল করেন – ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ
✺ ২৮১) ঘরোয়া রাজনীতির অনুমতি দেয়া হয় – ১৯৮৩ সালের ১ এপ্রিল
✺ ২৮২) ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৮৩ সালে
✺ ২৮৩) পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৮৪ সালে
✺ ২৮৪) এরশাদ গণভোটের আয়োজন করেন – ১৯৮৫ সালের ২১ মার্চ
✺ ২৮৫) উপজেলা পদ্ধতি চালু করেন – এরশাদ
✺ ২৮৬) উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৮৫ সালের ১৬ ও ২১ মে
✺ ২৮৭) বাংলাদেশের ৩য় জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় – ১৯৮৬ সালের ৭ মে
✺ ২৮৮) ৪র্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করা হয় – ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ
✺ ২৮৯) জেনারেল এরশাদের শাসন আমল – ৯ বছর
✺ ২৯০) প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি
✺ ২৯১) নুর হোসেন শহীদ হন – স্বৈরাচার বিরোধি আন্দোলন ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর
✺ ২৯২) এরশাদ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন – ১৯৮৭ সালের ২৭ নভেম্বর

✺ ২৯৩) সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য গঠন করা হয় – ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর ( ২২ টি ছাত্র সংগঠন)
✺ ২৯৪) ডা. সামসুল আলম মিলন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান – ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর
✺ ২৯৫) ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি
✺ ২৯৬) তত্ববধায়ক সরকারে বিল সংসদে পাশ হয় – ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চ
✺ ২৯৭) তত্তবধায়ক সরকারের প্রথম প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন – বিচারপতি হাবিবুর রহমান
✺ ২৯৮) তত্ববধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ১২ জুন ১৯৯৬ সালে ( ৭ম জাতীয় নির্বাচন)
✺ ২৯৯) ৮মম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় – ২০০১ সালের ১ অক্টোবর
✺ ৩০০) বাংলাদেশে ১/ ১১ এর সময় কাল – ২০০৭ সাল

❑➫৩০১) ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় – ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর
❑➫৩০২) ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার ছিল – ৭০%
❑➫৩০৩) ৪০ বছরে দারিদ্যের হার কমেছে – ৩০%
❑➫৩০৪) ৪ দশকে শিশু মৃত্যু হার কমেছে -প্রতি হাজারে ১৮৫ থেকে ৪৮
❑➫৩০৫) বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় শিক্ষানীতি প্রনীত হয় – ২০১০ সালে
❑➫৩০৬) পারিবারিক সংহিংসতা ও সুরক্ষা আইন – ২০১০ সালে প্রণীত হয়
❑➫৩০৭) জাতীয় খাদ্য নীতি – ২০০৬ সালে
❑➫৩০৮) জাতীয় শিশু নীতি প্রণীত হয় – ২০১১ সালে
❑➫৩০৯) জাতীয় শিশু নীতি ২০১১ অনুযায়ী শিশু বলে বিবেচিত হবে -১৮ বছরের কম বয়সী সব ব্যক্তি
❑➫৩১০) বাংলাদেশ পলল গঠিত – আদ্র অঞ্চল
❑➫৩১১) বাংলাদেশের পাহাড়ী অঞ্চল – উত্তর পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্বে
❑➫৩১২) উঁচু ভুমির অবস্থান – উত্তর পশ্চিমাংশে
❑➫৩১৩) বাংলাদেশের ভূ প্রকৃতি – নিচু ও সমতল
❑➫৩১৪) দক্ষিণ এশিয়ার বড় নদী – ৩ টি( গঙ্গা, ব্রক্ষপুত্র, মেঘনা)
❑➫৩১৫) বাংলাদেশের অবস্থান – এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে
❑➫৩১৬) বাংলাদেশের অবস্থান – ২০.৩৪“ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬.৩৮” উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে
❑➫৩১৭) দ্রাঘিমা রেখা – ৮৮.০১” থেকে ৯২.৪১” পূর্ব দ্রাঘিমা
❑➫৩১৮) বাংলাদেশের মাঝামাঝি দিয়ে অতিক্রম করেছে – কর্কটক্রান্তি রেখা ( ২৩.৫”)
❑➫৩১৯) বাংলাদেশের উত্তরে – পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, আসাম
❑➫৩২০) পূর্বে – আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম,মায়ানমার
❑➫৩২১) দক্ষিণে – বঙ্গোপসাগর
❑➫৩২২) মোট আয়তন – ১,৪৭,৬১০ কি.মি.।
❑➫৩২৩) পৃথিবীর বৃহত্তম ব দ্বীপ – বাংলাদেশ
❑➫৩২৪) বাংলাদেশের ভু খন্ড – উত্তর থেকে দক্ষিণে ঢালু
❑➫৩২৫) বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চল – এক বিস্তীর্ন সমভূমি
❑➫৩২৬) ভূ প্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশ ভাগ করা হয় – ৩ টি শ্রেণীতে
❑➫৩২৭) টারশিয়ারে যুগের পাহাড়সমূহ – মোট ভূমির প্রায় ১২%
❑➫৩২৮) হিমালয় পর্বত উথিত হয় – টারশিয়ারি যুগে
❑➫৩২৯) দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড় সমূহ – রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার এবং চট্টগ্রামের পূর্বাংশ
❑➫৩৩০) দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলোর উচ্চতা – ৬১০ মিটার
❑➫৩৩১) বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ – তাজিনডং ( বিজয়)
❑➫৩৩২) বিজয়ের উচ্চতা – ১২৩১ মিটার
❑➫৩৩৩) বিজয় – বান্দরবানে অবস্থিত
❑➫৩৩৪) বাংলাদেশের ২য় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ – কিওক্রাডং( ১২৩০ মি)
❑➫৩৩৫) আরো দুটি পাহাড় – মোদকমুয়াল ( ১০০০মি.), পিরামিড( ৯১৫মি)
❑➫৩৩৬) এই পাহাড় গুলো গঠিত – বেলে পাথর, কর্দম, শেল পাথর দ্বারা
❑➫৩৩৭) উত্তর উত্তরপূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ – ময়মনসিংহ, নেত্রকোনার উত্তরাংশ, সিলেটের উত্তর উত্তর পূর্বাংশ, মৌলভী বাজার, হবিগঞ্জের দক্ষিনের পাহাড়
❑➫৩৩৮) পাহাড় গুলোর উচ্চতা – ২৪৪ মিটার
❑➫৩৩৯) উত্তরের পাহাড়গুলো – টিলা নামে পরিচিত
❑➫৩৪০) টিলার উচ্চতা – ৩০ থেকে ৯০ মিটার
❑➫৩৪১) এ অঞ্চলের পাহাড় সমূহ – চিকনাগুল, খাসিয়া, জয়ন্তিয়া
❑➫৩৪২) প্লাইস্টোসিন কালের সোপান – দেশের মোট ভূমির ৮% নিয়ে গঠিত
❑➫৩৪৩) প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয় – আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে
❑➫৩৪৪) প্লাইস্টোসিন কালের সোপিনসমূহ – ৩ ভাগে বিভক্ত
❑➫৩৪৫) বাংলাদেশে ছোট বড় নদী রয়েছে -৭০০ টি
❑➫৩৪৬) নদীর গুলোর আয়তন দৈর্ঘ্যে – ২২,১৫৫ কি.মি
❑➫৩৪৭) পদ্মা নদী ভারতে পরিচিত – গঙ্গা নামে
❑➫৩৪৮) পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল – হিমালয়ের গাঙ্গোত্রী হিমবাহে
❑➫৩৪৯) গঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে – রাজশাহী জেলা দিয়ে
❑➫৩৫০) পদ্মা নদী যমুনার সাথে মিলিত হয় – গোয়ালন্দে
■➢৩৫১) ব্রক্ষপুত্রের প্রধান ধারা – যমুনা নদী
■➢৩৫২) পদ্মা নদী মেঘনার নাথে মিলিত হয় – চাঁদপুরে
■➢৩৫৩) গঙ্গা পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের পরিমান – ৩৪, ১৮৮ বর্গ কি.মি
■➢৩৫৪) পদ্মার শাখা নদী সমূহ – ভাগীরথী, হুগলি, মাথাভাঙ্গা, ইছামতি, ভৈরব, কুমার, কপোতাক্ষ, নবগঙ্গা, চিত্রা, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ
■➢৩৫৫) ব্রক্ষপুত্রের উৎপত্তি – তিব্বতের মানস সরোবর
■➢৩৫৬) বক্ষপুত্র নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে – কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে
■➢৩৫৭) ১৭৮৭ সালের আগে ব্রক্ষপুত্রের প্রধান ধারাটি প্রবাহিত হতো – ময়মনসিংহের মধ্যে দিয়ে উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ পূর্বে
■➢৩৫৮) ব্রক্ষপুত্র নদের গতি পরিবর্তিত হয় – ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পে
■➢৩৫৯) যমুনা নদীর শাখা নদী – ধলেশ্বরী
■➢৩৬০) ধলেশ্বরী নদীর শাখা নদী – বুড়িগঙ্গা
■➢৩৬১) যমুনা নদীর উপনদী সমূহ – ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই
■➢৩৬২) গঙ্গার সঙ্গমস্থল পর্যন্ত ব্রক্ষপুত্রের দৈর্ঘ্য – ২৮৯৭ কি.মি এবং আয়তন – ৫,৮০,১৬০ বর্গ কি.মি এবং এর ৪৪,০৩০ বর্গ কি.মি বাংলাদেশের
■➢৩৬৩) সুরমা ও কুশিয়ারা নদী মিলনে উৎপত্তি – মেঘনা নদী
■➢৩৬৪) সুরমা ও কুশিয়ার উৎপত্তি- আসামের বরাক নদী নাগা- মণিপুর অঞ্চলে
■➢৩৬৫) সুরমা ও কুশিয়ারা নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করে – সিলেট জেলা দিয়ে
■➢৩৬৬) সুরমা ও কুশিয়ারা নদী মিলিত হয় – সুনামগঞ্জের আজমিরিগঞ্জে এবং কালনী নামে দক্ষিণ পশ্চিমে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারন করে
■➢৩৬৭) মেঘনা পুত্রের সাথে মিলিত হয় – ভৈরব বাজারের কাছে
■➢৩৬৮) বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, ও শীতলক্ষ্যা মেঘনার সাথে মিলিত হয় – মুন্সিগঞ্জে
■➢৩৬৯) মেঘনার শাখা নদী – মুন, তিতাস, গোমতী, বাউলাই।
■➢৩৭০) বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী – কর্ণফুলী
■➢৩৭১) কর্ণফুলি নদীর উৎপত্তি – লুসাই পাহাড়ে

■➢৩৭২) কর্ণফুলির দৈর্ঘ্য – ৩২০ কি.মি
■➢৩৭৩) কর্ণফুলির প্রধান উপনদী – কাপ্তাই, হালদা, কাসালাং, রাঙখিয়াং
■➢৩৭৪) বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর – চট্টগ্রাম কর্ণফুলির তীরে অবস্থিত
■➢৩৭৫) তিস্তা নদীর উৎপত্তি – সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল
■➢৩৭৬) তিস্তা নদী – ভারতের জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং হয়ে ডিমলা অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে
■➢৩৭৭) তিস্তা নদীরর গতিপথ পরিবর্তিত হয় – ১৯৮৭ সালের বন্যায়

করোনা পরবর্তী পরীক্ষাগুলিতে করোনা শিরোনাম নিয়ে ফোকাস রাইটিং, রচনা, প্যারাগ্রাফ, বন্ধুর কাছে চিঠি এমনকি অনুবাদ পরীক্ষায় আসবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে; কারণ ইতোপূর্বে ডেঙ্গু নিয়েও পরীক্ষায় অনুবাদ আসছে। কোনো বিষয়ের ওপর কিছু লিখতে গেলে সে বিষয়ের কিছু শব্দগুচ্ছ জানা থাকা দরকার।

Writer: M M Mohiuddin
Publisher: Sajedur Rahman (Sterling Publication)

Download Now



I hope to find the new Upcoming all Jobs Exam MCQ Question Test 2020. If You want to apply for Bangladesh General knowledge online you have to visit there Our website. General knowledge is available this year. Before you have read this Mcq and attend the jobs exam. You can any jobs online apply link here. For Next Updates about Jobs Circular Notice, Exam Result or Admit card Download stay with us. Our Facebook Page

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *